পাতা মোড়ানো পোকা চেনার উপায়:
১. বয়স্ক পোকায় হালকা পাখার উপর গাঢ় কমলা বাদামী স্ট্রাইপ ডেউ খেলানো ও অসংখ্য দাগ দেখা যায়।
২. জীবনচক্রের স্তর চারটি ডিম (৪-৬ দিন), লার্ভা (২১-২৮ দিন), পিউপা (৬-৭ দিন) পূর্ণাঙ্গ (৭-১০ দিন)।
৩. জীবন কাল ৪৫-৫১ দিন,জীবনচক্র ২৪-২৯ দিন এবং বৎসরে কমপক্ষে ৪ বার বংশবিস্তার করতে পারে।
৪. প্রতিটি স্ত্রী পোকা ৩-৪ দিনের মধ্যে ৩০০ টি ডিম দেয়।
৫. সদ্য ফোটা কীড়া বা লার্ভা সবুজাভ বর্ণের হয়।
আক্রমণের লক্ষণ:
১. ডিম থেকে সদ্য বের হওয়া কীড়া সদ্য বের হওয়া ভাজকৃত পাতার সবুজ ক্লোরোফিল কুড়ে কুড়ে খায়।
২. প্রথম ইনটারে দলবদ্ধভাবে খায়।
৩. দ্বিতীয় ইনটারে বয়স্ক পাতায় স্থানান্তরিত হয়ে পাতাকে লম্বালম্বিভাবে মোড়ায় এবং তা পুত্তলী হওয়ার আগ পর্যন্ত মোড়ানো পাতার অভ্যন্তরে থেকে খেয়ে লম্বালম্বি সাদা দাগ সৃষ্টি করে।
৪. লার্ভা মুখ থেকে সুতার মত আঠালো পদার্থ নিঃসৃত করে পাতাকে সেলাই করে নলের মত করে ফেলে।
৫. আক্রমন বেশী হলে পুড়ে যাওয়ার মত মনে হয়।
১. প্রাথমিক অবস্থায় পোকার ডিম বা কীড়াসহ পাতা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
২. আলোর ফাঁদের সাহায্যে পূর্ণবয়স্ক মথ ধরে মেরে ফেলা।
৩. জমিতে ডালপালা পুঁতে পোকাখেকো পাখির সাহায্যে পূর্ণবয়স্ক মথ দমন করা।
৪. জমিতে চারা রোপণের ৪০ দিন পর্যন্ত আগাছামুক্ত রাখতে হবে।
প্রাকৃতিক শত্রু ব্যবহার-ময়না পাখি, মাকড়সা, লম্বাশুড় উড়চুঙ্গা, ক্যারাবিড বিটল, ড্যামসেল ফড়িং, ট্রাইকো গ্রামা বোলতা, কোটেশিয়া বোলতা, ইলাসমিড বোলতা, এনপিভি ভাইরাস, গ্রানুলোসিস ভাইরাস।
এমামেকটিন বেনজয়েট (২০%) + থায়ামেথোক্সাম (২০%) গ্রুপের কীটনাশক প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকালে গাছ ভালভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।
অথবা ফিপ্রোনিল (৬%) + থায়ামেথোক্সাম (১২%) গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে বিকালে গাছ ভালভাবে ভিজিয়ে বিকালে স্প্রে করতে হবে।
অথবা থায়ামেথোক্সাম (১৪.১%) + ল্যাম্বডা সাইহ্যালোথ্রিন (১০.৬%) গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে বিকালে গাছ ভালভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।
অথবা ক্লোরপাইরিফস (৫০ %)+ সাইপারমেথ্রিন (৫%) গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ মিলি হারে মিশিয়ে বিকারে গাছ ভালভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।
Planning and Implementation: Cabinet Division, A2I, BCC, DoICT and BASIS